বাংলায় দরখাস্ত লেখার নিয়ম – সবার জন্য

বাংলায় দরখাস্ত লেখার নিয়ম
Contents
দরখাস্ত কাকে বলে?দরখাস্তের কয়েকটি প্রকারভেদ রয়েছে। যেমনঃদরখাস্ত কিভাবে লিখতে হয় জেনে নিনদরখাস্ত লেখার নিয়ম নিম্নরূপদরখাস্ত লেখার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মনে রাখা উচিতঃবাংলায় দরখাস্ত লেখার নিয়ম ও নমুনা১. সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন পত্র লেখার নিয়ম২. চাকরি থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন বাংলা৩। চাকরির রিজাইন লেটার বাংলা৪. অনুপস্থিতির জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন পত্র৫. ছাড়পত্রের জন্য আবেদন লেখার নিয়ম৬. ছাড়পত্রের জন্য আবেদন পত্র৭. স্কুলে অগ্রিম ছুটির জন্য আবেদন৮. বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন৯. কলেজে অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন১০. অফিসিয়াল ছুটির আবেদন পত্র – আগ্রিম১১. অফিসিয়াল ছুটির আবেদন পত্র – অনুপস্থিতির জন্যদরখাস্ত কাকে বলে?দরখাস্ত কিভাবে লিখতে হয়? উপসংহার

ইংরেজি অ্যাপ্লিকেশন হোক বা বাংলা অ্যাপ্লিকেশন, কাজের প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আবেদনপত্র লিখতে হয়। কিন্তু বাংলা দরখাস্ত লেখার নিয়ম সঠিকভাবে না জানার কারণে তা লেখার আগে অভিজ্ঞদের কাছ থেকে আবেদনপত্র লেখার নিয়ম জেনে নিতে হবে।

বিশেষ করে চাকরির দরখাস্ত লেখার নিয়ম সঠিকভাবে না জানার কারণে চাকরিপ্রার্থীদের সমস্যায় পড়তে হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় চোখের লজ্জার কারণে বেশির ভাগ মানুষই অন্যের পরামর্শ নিতে চায় না। যারফলে নির্দিষ্ট বিষয়ে ভালো মানের আবেদন লেখা কঠিন হয়ে পড়ে।

আজকের বাংলায় দরখাস্ত লেখার নিয়ম পোস্টে আমি – স্কুল,কলেজে দরখাস্ত লেখার নিয়ম, বেতন মওকুফের আবেদন, চাকরির জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম, সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন পত্র লেখার নিয়ম, ব্যাঙ্ক ছুটির আবেদন সহ বিভিন্ন পেশাগত ছুটির আবেদন শেয়ার করব এই ব্লগে।

সেই সাথে আমি বাংলা ও ইংরেজি সহ পিডিএফ এবং ডকুমেন্ট ফরম্যাটে আবেদন লেখার নিয়মের PDF কপি আপলোড করে দিবো। ফলস্বরূপ, আপনি সহজেই যেকোনো কম্পিউটার থেকে আপনার অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে এবং লিখতে পারেন।

দরখাস্ত কাকে বলে?

দরখাস্ত হলো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে অনুরোধ করার জন্য একটি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাকে লেখা একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি। আবেদনে সাধারণত ব্যক্তির নাম, ঠিকানা, যোগাযোগের তথ্য, আবেদনের বিষয়, আবেদনের কারণ, আবেদনের যুক্তি এবং আবেদনকারীর আকাঙ্ক্ষা ইত্যাদি উল্লেখ থাকে।

দরখাস্তের কয়েকটি প্রকারভেদ রয়েছে। যেমনঃ

  • চাকরির দরখাস্ত
  • ছুটির দরখাস্ত
  • অনুমতির দরখাস্ত
  • সহযোগিতার দরখাস্ত
  • জরিমানার মওকুফের দরখাস্ত
  • উপবৃত্তির দরখাস্ত
  • ছাড়পত্রের দরখাস্ত
  • প্রমোশনের দরখাস্ত

দরখাস্ত কিভাবে লিখতে হয় জেনে নিন

দরখাস্ত বা আবেদনপত্র হলো কোনো বিষয়ে কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন। বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন বিষয়ে দরখাস্ত লেখা হয়। যেমন, চাকরির জন্য দরখাস্ত, অনুপস্থিতির জন্য ছুটির দরখাস্ত, জরিমানার জন্য দরখাস্ত, ছাড়পত্রের জন্য দরখাস্ত, ইত্যাদি। দরখাস্ত লেখার ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট নিয়মাবলি অনুসরণ করতে হয়। এই নিয়মাবলি অনুসরণ করলে দরখাস্তটি সুন্দর, সুলিখিত ও কার্যকর হয়।

দরখাস্ত লেখার নিয়ম নিম্নরূপ

  • তারিখঃ দরখাস্তের প্রথম লাইনে বামদিকে তারিখ লিখতে হয়। তারিখ লেখার ক্ষেত্রে বাংলা তারিখের পাশাপাশি ইংরেজি তারিখও লিখতে হয়।
  • প্রাপকঃ দরখাস্তের দ্বিতীয় লাইনে বামদিকে প্রাপকের নাম, পদবী ও ঠিকানা লিখতে হয়। প্রাপক যদি কোনো প্রতিষ্ঠান হয়, তাহলে প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের নাম লিখতে হয়।
  • বিষয়ঃ দরখাস্তের তৃতীয় লাইনে ডানদিকে বিষয় লিখতে হয়। বিষয়টি সংক্ষিপ্ত ও সুনির্দিষ্ট হতে হবে।
  • সম্ভাষণঃ বিষয়ের নিচে ডানদিকে সম্ভাষণ লিখতে হয়। সম্ভাষণ হিসেবে “জনাব”, “মহোদয়”, “শ্রীমান”, “শ্রীমতী”, ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • মূল অংশঃ দরখাস্তের মূল অংশে আবেদনের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে লিখতে হয়। মূল অংশটি স্পষ্ট, সুস্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত হতে হবে।
  • উপসংহারঃ মূল অংশের নিচে ডানদিকে উপসংহার লিখতে হয়। উপসংহারে আবেদনের উদ্দেশ্য ও আশাবাদ ব্যক্ত করতে হয়।
  • নিবেদনঃ উপসংহারের নিচে বামদিকে “নিবেদন” বা “বিনীত নিবেদন” লিখতে হয়।
  • প্রেরকের নাম ও ঠিকানাঃ দরখাস্তের শেষ লাইনে বামদিকে প্রেরকের নাম ও ঠিকানা লিখতে হয়। প্রেরকের নাম ও ঠিকানা অবশ্যই স্পষ্ট ও সুস্পষ্টভাবে লিখতে হবে।
আরও পড়ুনঃ  স্কুলে ও মাদ্রাসাতে অনুপস্থিতির জন্য দরখাস্ত | স্কুলে অনুপস্থিতির জন্য দরখাস্ত

দরখাস্ত লেখার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মনে রাখা উচিতঃ

  • দরখাস্তটি অবশ্যই সুন্দর ও সুলিখিত হতে হবে।
  • দরখাস্তের ভাষা অবশ্যই সুন্দর ও মার্জিত হতে হবে।
  • দরখাস্তের বিষয়টি অবশ্যই সংক্ষিপ্ত ও সুনির্দিষ্ট হতে হবে।
  • দরখাস্তে আবেদনকারীর যোগ্যতা ও দক্ষতা প্রমাণের জন্য যথাযথ তথ্য ও প্রমাণাদি যুক্ত করতে হবে।
  • দরখাস্তে আবেদনকারীর আগ্রহ ও আশাবাদ ব্যক্ত করতে হবে।

বাংলায় দরখাস্ত লেখার নিয়ম ও নমুনা

কাজের ধরন অনুযায়ী বাংলা আবেদন লেখার নিয়ম ভিন্ন হয়ে থাকে। কেউ চেষ্টা করলেও একবারে সব ধরনের আবেদনের নমুনা শেয়ার করতে পারবে না। সবার সুবিধার জন্য এখানে কিছু সাধারণভাবে ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশনের নমুনা শেয়ার করা হয়েছে। যা আপনাদের আশাকরি কাজে দিবে।

১. সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন পত্র লেখার নিয়ম

সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন পত্র লেখার নিয়ম
সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন পত্র লেখার নিয়ম

বরাবর

সভাপতি

প্রিমিয়ার আইডিয়াল হাই স্কুল

ময়মনসিংহ, সদর।

বিষয়ঃ সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন।

জনাব

বিনীত নিবেদন এই যে, গত ০১/০১/২০২৩ খ্রিঃ তারিখে দৈনিক “আজকের ময়মনসিংহ” পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম যে, সহকারী শিক্ষক পদে আপনার বিদ্যালয়ে ৩ জন লোক নিয়োগ দেওয়া হবে। আমি উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ যাবতীয় আনুষাঙ্গিক তথ্যাদি মহোদয়ের নিকট তুলে ধরলাম।

১। নামঃ

২। পিতার নামঃ

৩। মাতার নামঃ

৪। বর্তমান ঠিকানাঃ

৫। স্থায়ী ঠিকানাঃ

৬। জন্ম তারিখঃ

৭। জাতীয়তাঃ

৮। ধর্মঃ

৯। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ

পরীক্ষার নামবোর্ডপাশের সনপ্রাপ্ত গ্রেড
এসএসসিময়মনসিংহ২০০৬জিপিএ-৪
এইচএসসিময়মনসিংহ২০০৮জিপিএ-৫
বিএসসিময়মনসিংহ২০১৩প্রথম শ্রেণী
এমএসসিময়মনসিংহ২০১৫প্রথম শ্রেণী
শিক্ষাগত যোগ্যতা

১০। অভীজ্ঞতাঃ

অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন এই যে, আমকে আপনার বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পেতে আপনার একান্ত মর্জি হয়।

বিনীত
আপনার একান্ত বাধ্যগত
(আপনার নাম)
মোবাঃ ০১৮১০-০০০০০০
তারিখ-০৪/০৫/২০২৩ খ্রিঃ

সংযুক্তিঃ

১। পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি ২ কপি।

২। একডেমিক সকল সনদপত্রের সত্যায়িত কপি।

৩। চারিত্রিক সনদপত্র।

৪। নাগরিকত্ব সনদপত্র।

৫। ৫০০ টাকার পোস্টাল অর্ডার।

২. চাকরি থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন বাংলা

চাকরি থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন বাংলা
চাকরি থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন বাংলা

তারিখঃ
বরাবর
ব্যবস্থাপক
প্রশাসন বিভাগ
এবিসি কোম্পানি লিঃ
বনানী, ঢাকা।

বিষয়ঃ চাকুরি থেকে অব্যাহতি পাওয়ার আবেদন।

জনাব,
যথাবিহীত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি কামরুল ইসলাম আপনার প্রতিষ্ঠানে গত ০২-০৩-২০১৯ ইং থেকে সহকারী হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত আছি।

সম্প্রতি আমি মেঘনা গ্রুপে সিনিয়র হিসাবরক্ষক হিসেবে কাজ করার প্রস্তাব পেয়েছি। আমি মনে করি, এটি আমার জন্য একটি ভাল সুযোগ। তাই, আগামী ০১-১০-২০২২ ইং তারিখ থেকে আমি আমার পদ থেকে পদত্যাগ করছি।

অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন এই যে, আমার পদত্যাগ পত্রটি গ্রহণ করে আমাকে উক্ত পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করে বাধিত করবেন।

নিবেদক-

স্বাক্ষর
(কামরুল ইসলাম)
সহকারি হিসাবরক্ষক
এবিসি কোম্পানি লিঃ
বনানী, ঢাকা।

৩। চাকরির রিজাইন লেটার বাংলা

চাকরির রিজাইন লেটার বাংলা
চাকরির রিজাইন লেটার বাংলা

তারিখঃ
বরাবর
ব্যবস্থাপক
মানব সম্পদ বিভাগ
এবিসি কোম্পানি লিঃ
বনানী, ঢাকা।

বিষয়ঃ চাকুরি থেকে অব্যাহতি পাওয়ার আবেদন।

জনাব,
যথাবিহীত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি কামরুল ইসলাম আপনার কোম্পানীতে দীর্ঘ ৩ বছর যাবত হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত আছি। বর্তমানে আমার ব্যক্তিগত সমস্যার জন্য আগামী ০১-১০-২০২২ ইং তারিখ থেকে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়।

অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন এই যে, আমাকে উক্ত পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করে বাধিত করবেন।

নিবেদক-
স্বাক্ষর
(কামরুল ইসলাম)
হিসাবরক্ষক
এবিসি কোম্পানি লিঃ
বনানী, ঢাকা।

আরও পড়ুনঃ  বাংলায় চাকরির আবেদন পত্র লিখবেন কিভাবে নমুনা দেখে নিন

৪. অনুপস্থিতির জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন পত্র

অনুপস্থিতির জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন পত্র
অনুপস্থিতির জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন পত্র

তারিখঃ ১০/০৪/২৩ ইং
বরাবর,
অধ্যক্ষ
মুকুল নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়,
ময়মনসিংহ।

বিষয়ঃ জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন।

জনাব,
সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার কলেজের একাদশ শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমি কলেজের বেতন ও অন্যান্য সকল খরচ যথাসময়ে পরিশোধ করে আসছি। কিন্তু, আমার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অর্থাৎ আমার বাবা গত ২ মাস আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই আর্থিক সমস্যা থাকার কারণে আমি সময়মতো নির্ধারিত সকল ফী ও বেতন পরিশোধ করতে পারিনি।

অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন, আমার আর্থিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে জরিমানা ছাড়া বেতন প্রদানের অনুমতি দিতে আপনার বিশেষ মর্জি কামনা করি।

বিনীত নিবেদক
নামঃ আপনার নাম
শ্রেণিঃ একাদশ
বিভাগঃ বিজ্ঞান
রোলঃ ৩৪

৫. ছাড়পত্রের জন্য আবেদন লেখার নিয়ম

তারিখ : ০৮/০৫/২০২৩ ইং

বরাবর,
প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
এখানে স্কুল/ কলেজের নাম উল্লেখ করতে হবে।
এখানে স্কুল/ কলেজের ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।
বিষয়ঃ ছাড়পত্রের জন্য আবেদন।
মহোদয়,

যথাবিহিত সম্মান পূর্বক বিনিত নিবেদন এই যে, আমি মোঃ/ মোছাঃ এখানে আবেদনকারীর নাম লিখতে হবে। আমি আপনার স্কুল/ কলেজের একজন নিয়মিত ছাত্র/ ছাত্রী। আমার ক্লাস রোল : ০৫। আবার বাবা একজন ব্যাংক কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরি করেন। সম্প্রতি আবার বাবা ঢাকা তে বদলী হয়েছেন। আমার পুরো পরিবার সহ ঢাকা তে যেতে হবে। সঙ্গত কারণ বসত আমার বাবা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, আমাকে ঢাকা সিটি স্কুলে ভর্তি করে দিবেন।

অতএব, মহোদয় সমীপে আকুল আবেদন যে, আমাকে বিদ্যালয় ত্যাগ এর একটি ছাড়পত্র প্রদান করে, আমার লেখা পড়ার পথ সুগম করার জন্য আপনার সু-আজ্ঞা হয়।

নিবেদন

আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র/ ছাত্রী

এখানে আবেদকারীর নাম

শ্রেণী : ……….. রোল : ……………

৬. ছাড়পত্রের জন্য আবেদন পত্র

তারিখঃ ০৬ জুন ২০২৩ ইং

বরাবর
ব্যবস্থাপক
এখানে অফিসের নাম লিখবেন
এখানে অফিসের ঠিকানা লিবেন।
বিষয়ঃ ছাড়পত্রের জন্য আবেদন।

মহাত্মন,

সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী, এখানে পদের নাম লিখবেন যেমন- “কম্পিউটার অপারেটর”, এখানে অফিসের নাম লিখবেন। এখানে অফিসের ঠিকানা লিখবেন। আমি সরকারি ভাবে ঢাকায় একটি অফিসিয়াল প্রশিক্ষণের চিঠি পেয়েছি। সেই লক্ষ্যে আগামী ০২ জুন ২০২৩ ইং অফিস ত্যাগের পড়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে। আগামী ০৩ জুন ২০২৩ ইং হতে ০৫ জুন ২০২৩ ইং পর্যন্ত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে বিধায় আপনার নিকট একখানা ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করিলাম।

অতএব, মহোদয় সমীপে আকুল আবেদন যে, উপরে উল্লিখিত বিষয়ে সু-দৃষ্টি রেখে, আমাকে ছাড়পত্র প্রদানে বাধিত করবেন।

নিবেদন

এখানে আপনার নাম ও স্বাক্ষর

এখানে আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম

এখানে আপনার প্রতিষ্ঠারে ঠিকানা

আপনার মোবাইল নাম্বার

৭. স্কুলে অগ্রিম ছুটির জন্য আবেদন

তারিখঃ ৩০/০১/২০২২ ইং
বরাবর
প্রিন্সিপাল
রংপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়,
রংপুর।

বিষয়ঃ অগ্রিম ছুটির জন্য আবেদন

জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়/ কলেজের একাদশ শ্রেনির বিজ্ঞান বিভাগের ‘ক’ শাখার একজন নিয়মিত ছাত্র। আগামী ৩রা ফ্রেব্রুয়ারি ২০২২ আমার বড় বোনের বিবাহ। এমন্তা অবস্থায় আমাকে বিভিন্ন দায়িত্বে থাকতে হবে ফলে আমি কলেজে উপস্থিত হতে পারব না।

অতএব, বিনীত প্রার্থনা এই যে আমাকে আগামী এক সপ্তাহের (৩১/০১/২০২২ থেকে ০৬/০২/২২ পর্যন্ত) ছুটি দিয়ে বাধিত করবেন।

আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র
মোঃ করিম উদ্দিন
শ্রেণিঃ একাদশ
বিভাগঃ বিজ্ঞান
শাখাঃ ক
রোলঃ ০৯

৮. বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন

বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন
বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন

তারিখ:০২/০৫/২০২৩
বরাবর
প্রধান শিক্ষক
( যে বিদ্যালয়ের পড়ি তার নাম, থানা, জেলা)।

বিষয়: অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন।

আরও পড়ুনঃ  বিনা বেতনে অধ্যয়নের জন্য প্রধান শিক্ষকের কাছে আবেদন

জনাব,

যথাবিহিত সম্মানপূর্বক সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ের( যে শ্রেণীতে পড়বেন সেই শ্রেণী) শ্রেণীর একজন নিয়মিত ছাত্র। আমি গত( ০-০-০থেকে০-০-০) তারিখ পর্যন্ত( যে কয়েকদিন হয়েছে) দিন আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারেনি।

অতএব, জনাবের নিকট আকুল নিবেদন এই যে, আমার উক্ত অসুস্থতার কথা মানবিক বিবেচনা করে আমাকে( যে কয়দিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত) দিনের ছুটিদানে জনাবের নিকট মজি প্রার্থনা করি।

বিনীত নিবেদন
আপনার একান্ত বাধ্যগত ছাত্র
ছাত্র বাছাত্রীর নাম
শ্রেণী
বিভাগ( যে বিভাগে পড়বেন)
রোল নম্বর।

৯. কলেজে অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন

কলেজে অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন
কলেজে অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন

তারিখ: —————
বরাবর
অধ্যাক্ষ,
(প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা দিবেন )

বিষয়: অনুপস্থিতি থাকায় আবেদনপত্র।

জনাব,

বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন নিয়মিত ছাত্র।
আমি গত ইং ——– তারিখ হতে এপেন্ডিসাইটিস রোগে আকান্ত হই । শারীরিক
অসুস্থতার জন্য কলেজে উপস্থিতি দেওয়া সম্ভব হয় নি।

অতএব, আমার আকুল আবেদন, আমার শারিরীক অসুস্থতার বিষয়টি বিবেচনা করে
আমাকে উক্ত দিন গুলোর ছুটি মঞ্জুর করতে আপনার সদয় মর্জি হয়।

বিনীত নিবেদক,

আপনার অনুগত
নাম =
শ্রেণী =
রোল =

১০. অফিসিয়াল ছুটির আবেদন পত্র – আগ্রিম

তারিখঃ- ২৮-০৬-২০২৩

বরাবর,
প্রতিষ্ঠানের মালিক/ম্যানেজার
আপনার প্রতিষ্ঠানের না লিখুন এখানে
থানা, জেলা, বিভাগ লিখুন

বিষয়ঃ- জরুরি প্রয়োজনে ৫ দিনের ছুটির জন্য আবেদন।

জনাব,

বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন বেতনভুক্ত কর্মচারী। আমি গত তিন বছর ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে প্রতিনিয়ত আপনার প্রতিষ্ঠানে কাজ করে এসেছি। আমি সর্বদা চেষ্টা করেছি উক্ত গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করে প্রতিষ্ঠানের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে। যার ফলে আমি এর আগে কখনোই অপ্রয়োজনে কোন ছুটি কাটাইনি। কিন্তু (আপনার সমস্যা বিস্তারিত গুছিয়ে লিখুন)। (কি কারনে ছুটিতে যাওয়া খুব গুরত্বপূর্ণ), আমি ছাড়া আমার পরিবারের আর কোন শক্ত সামর্থ্য অভিভাবক নেই।

অতএব, আপনার কাছে আমার বিনীত অনুরোধ এই যে, উপরে সমস্যাটি বিবেচনা করে আমার ৫ দিনের আবেদনটিকে স্বীকার করে অফিস ত্যাগের অনুমতি প্রদান করলে বাধিত হবো।

নিবেদক
আপনার নাম
আপনার পদবী
প্রতিষ্ঠানের নাম, বিভাগের নাম

১১. অফিসিয়াল ছুটির আবেদন পত্র – অনুপস্থিতির জন্য

তারিখ: ০৮/১০/২০২৩

বরাবর ,
সিনিয়র এডিটর,
সহবাংলা আইটি
৪১৭-৪১৮ তেজগাঁও শি/এ
ঢাকা-১২০৮

বিষয়: অনুপস্থিত জনিত কারণে ছুটি মঞ্জুর করার আবেদন।

জনাব, সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে আমি আপনার কোম্পানির স্টোর ম্যানজার পদে কর্মরত একজন নিয়মিত সদস্য। আমি হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে যাওয়ার কারণে গত ০৪/১০/২০২৩ তারিখ থেকে ০৭/১০/২০২৩ তারিখ পর্যন্ত অফিসে উপস্থিত থাকতে পারিনি। যার কারণে আমি আন্তরিকভাবে খুবই দুঃখিত।

আপনার কাছে আমার বিনীত আবেদন এই যে আমাকে অনুগ্রহ করে এই চার দিনের ছুটি মঞ্জুর বাধিত করবেন।

নিবেদক
শ্রী বিক্রম দাস

FAQs

দরখাস্ত কাকে বলে?

দরখাস্ত হলো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে অনুরোধ করার জন্য একটি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাকে লেখা একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি।

দরখাস্ত কিভাবে লিখতে হয়?

দরখাস্ত বা আবেদনপত্র হলো কোনো বিষয়ে কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন। বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন বিষয়ে দরখাস্ত লেখা হয়। যেমন, চাকরির জন্য দরখাস্ত, অনুপস্থিতির জন্য ছুটির দরখাস্ত, জরিমানার জন্য দরখাস্ত, ছাড়পত্রের জন্য দরখাস্ত, ইত্যাদি। দরখাস্ত লেখার ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট নিয়মাবলি অনুসরণ করতে হয়।

উপসংহার

আজকের এই পোস্টে আমি বাংলায় দরখাস্ত লেখার নিয়ম সহ বিভিন্ন ধরনের আবেদন পত্রের নমুনা শেয়ার করেছি আপনাদের সাথে। দরখাস্ত লেখার ক্ষেত্রে উপরের নিয়মগুলো মেনে চললে আপনার পক্ষে সুন্দর ও কার্যকরী দরখাস্ত লেখা সম্ভব হবে। উপরের অ্যাপ্লিকেশন ছাড়াও, আপনি যদি আরও বিভিন্ন ধরণের অ্যাপ্লিকেশনের নমুনা পেতে চান তবে আপনি মন্তব্য করতে পারেন। শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট পড়তে ভিজিট করুন

About the Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may also like these

Share via
Copy link