Freelancing: ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গাইডলাইন – জেনে নিন

ফ্রিল্যান্সিং কি

ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে? বাংলাদেশের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং শব্দটি একটি শব্দ নয়। আপনি এই পোস্টে বাংলায় ফ্রিল্যান্সিং এর অর্থ সম্পর্কে জানতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং করে অনেকেই এখন নিজেকে সাবলম্বি করে নিচ্ছেন। আপনি চাইলেই ফ্রিল্যান্সিং শিখে ঘরে বসে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং কি

আর ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আমি এর আগেউ কতগুলি আর্টিক্যাল দিয়েছি। আমি সেগুলি নিচে লিস্ট আকারে আপনাদের দিব। আপনারা দেখে নিবেন। বর্তমান বিশ্ব বাজারে ফ্রিল্যান্সিং চাকরির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে দিন দিন বেকারত্ব একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশে প্রতি বছর লাখ লাখ শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতি তৈরি হচ্ছে।

শিক্ষিত অনেক বেকার যুবক যুবতি জানেননা কিভবে Freelancing করে টাকা আয় করতে হয়। আর বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক শিক্ষিত যুবক চাকরি না পেয়ে ঘরে বসে অনলাইনে কীভাবে অর্থ উপার্জন করা যায় তা জানতে চান। প্রিয় পাঠকগন, ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জনের সবথেকে ভাল পদ্ধতি। আর সেজন্য আপনাদেরকে Freelancing meaning in Bengali, সঠিক পদ্ধতি জানাতে লিখলাম এই পোষ্ট। কারন Freelancing meaning সম্পর্কে সঠিক ধারণা আপনার না থকালে আপনি অর্থ উপার্জনের পূর্বেই জালিয়াতির শিকার হতে পারেন

আপনি অনেক পরিশ্রম করার পরেও আপনার হাতে একটি টাকাও আসবেনা অথবা আপনি Freelancing শিখতে অনেক টাকা খরচ করে ফেলবেন বিভিন্ন জিনিস অজানা থাকার কারনে। তাই ফ্রিল্যান্সিং কি, ফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে এই সম্পর্কে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গাইডলাইন পোস্ট দরকার বলে আমি মনে করি।

কারন বাংলাদেশে এখন অনেক অনেক প্রতিষ্ঠান ফ্রিল্যান্সিং শিখানোর নামে ব্যবসা করে যাচ্ছে এবং অনেকেই তাদের প্রতারনার শিকার হচ্ছেন। আর তাই, আজ আপনি এই ব্লগ থেকে অনলাইনে অর্থ উপার্জন করতে সব থেকে সেরা উপায় Freelancing সম্পর্কে জানতে পারবেন। আর এই পেশাকে আপন করে নিয়েছে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ।

ফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে?

আশাকরি এতক্ষণে আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন ফ্রিল্যান্সিং কিফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে এ বিষয়ে আপনাকে আরও কিছু ক্যাটাগরি সম্মন্ধে ধারণা দেওয়ার জন্য এই ব্লগে আপনাদের ফ্রিল্যান্সিংয়ের কিছু বিভাগ সমূহ সম্পর্কে জানাবো।

ফ্রিল্যান্সার কাকে বলে

অনলাইন মার্কেটপ্লেসে যারা অন্যের কাজগুলো অর্থের বিনিময়ে করে দিয়ে থাকেন তাদেরকেই ফ্রিল্যান্সার বলা হয়ে থাকে। অর্থাৎ Freelancer মানে হচ্ছে নিজের সার্ভিস বা সেভার বিনিময়ে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার পদ্ধতি।

Freelancing: ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গাইডলাইন

১) মনে করেন আপনি পড়ালেখা করেছেন এবং ভালো ইংলিশ জানেন, অনলাইনে কাজ বিষয়ে আপনার কোন দক্ষতা নাই। এখানে আপনার জন্য আপনার জন্য একটি কাজ রয়েছে, সে ডাটা এন্ট্রি। ডাটা এন্ট্রি করেও অনেকে হাজার হাজার টাকা প্রতি মাসে অনলাইন থেকে আয় করছেন। শুরুতে এই বিষয়ে আপনার ধারনা না থাকতে পারে, ইউটিউবে এই বিষয়ে কিছুক্ষণ সময় ব্যয় করে রিচার্জ করলে আপনি এই সম্পর্কে অনেক ভালো ভালো ভিডিও পেয়ে যাবেন এবং অনেক তাড়াতাড়ি আপনার অনলাইন আয় শুরু করতে পারবেন বলে মনে করি।

আরও পড়ুনঃ  মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট App | বাংলাদেশে টাকা আয় করার Apps

২) ধরে নিন আপনি নিজের ছবির কাজ করেছেন Photoshop এ এবং আপনি ছবির ভালো কাজ করতে পারেন। তাহলে আপনি এখন Youtube থেকে কিছু ধারণা নিয়ে ফটো এডিটিং কাজ করতে পারেন অন লাইন মার্কেটপ্লেস গুলিতে। বন্ধুরা আপনি অনলাইনে কাজ করতে হলে ইউটিউবে প্রচুর ভিডিও রয়েছে আপনার কি টপিক বা বিষয় ভালো লাগে আপনি নিজের পছন্দমতো সময়ে ওই টপিক গুলো আস্তে আস্তে শিখতে থাকুন ঘরে বসেই।

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ বা ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ কি

  • Adobe Photoshop
  • Content Writing
  • Online teaching
  • Painting
  • Music
  • Computer specialist
  • Art
  • Web design and development
  • Graphic design

এবং আরও অনেক বিষয় রয়েছে বর্তমানে Freelancing করার মতো। নিচে আমি কতগুলি জিনিস প্রভাইড করলাম দেখে নেনঃ ???

যে বিষয়ে আপনার মধ্যে প্রচুর প্রতিভা রয়েছে সেই বিষয়ে আপনি প্রথমে চেষ্টা করুন ফ্রিল্যান্সিং করতে। অফলাইন কাজের ক্ষেত্রে আমরা যেমন কাজের বিনিময়ে টাকা পাই ফ্রিল্যান্সিংও এমনি একটি পেশা, তবে তা সম্পূর্ণ অনলাইন কাজ। তবে এখানে আপনাকে পেমেন্ট অনলাইনে গ্রহণ করতে হবে এবং ক্লাইন্ট অনলাইন থেকেই আপনাকে কাজ করাবে। যা আপনি নিজ ঘরে বসে আপনার পছন্দ মতো সময়ে করে জমা দিতে পারবেন। আশা করি আপনি ফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে বুঝতে পেরেছেন। 

সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার উপায়

Online জগত থেকে ফ্রিল্যান্সিং অর্থ উপার্জনের জন্য সেরা উপায়। তবে নতুন ফ্রিল্যান্সারদের প্রথমে কাজ পেতে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, সফল হতে হলে প্রথম কাজ পেতে কয়েক মাস লাগতে পারে। যদি আপনি প্রথম কয়েক মাস কষ্ট করেন, সফল হন, তবে আপনি ১ ঘন্টায় ৫০ ডলার পর্যন্ত উপার্জন করতে পারবেন ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে।

এখানে কাজের কোন সময়সীমা নেই, তাই যখনই আপনার মন চাইবে আপনি তখনি কাজ করতে পারেন। বন্ধুরা ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গাইডলাইন জানার পর, এখন আপনাকে Freelancing ওয়েবসাইট গুলিতে আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। এখানে আপনাকে আপনার দক্ষতা বিষয় এবং নিজের সম্পর্কে সম্পূর্ণ সঠিক তথ্য দিতে হবে। তবেই আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে সফল হতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ  অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় | Recharge Business

নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস কোনটি?

ফ্রিল্যান্সিং জব কীভাবে করবেন:

আপনাকে আমরা আগেই বলেছি যে ফ্রিল্যান্সিং একটি দক্ষতা ভিত্তিক কাজ। উপরোক্ত সাইট গুলিতে আপনি আপনার দক্ষতা থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। সুতরাং আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে চান এবং ফ্রিল্যান্সার হতে চান তবে প্রথমে অবশ্যই আপনার দক্ষতা চিহ্নিত করুন, আপনি অনলাইনে কোন কাজটি ভাল করতে পারেন?

অবশর সময়ে আপনি কী করতে চান? আপনি কোন খরচ ছাড়া কী কাজ করতে পছন্দ করেন? এখন নিজ প্রতিভা বুজে আপনি কাজ নির্ণয় করবেন। আপনার পছন্দনীয় ঐ কাজটি শিখুন এবং নিয়মিত প্র্যাকটিস করুন।

আপনার কাজটিকে আপনি আরও ভাল এবং যে কারো থেকে নতুন উপায়ে করা শুরু করুন। যাতে আপনি অন লাইন প্লাটফরম গুলিতে ক্লায়েন্টদের সেরা মূল্যে এবং ভালো মানে কাজ দিতে পারেন। কখনোই সস্তা দামে কাজ করবেন না অন্যান্য ফ্রিল্যান্সারদের রেট দেখে কাজের মূল্য নির্ধারণ করুন। 

ফ্রিল্যান্সিং করতে কি কি প্রয়োজন:

Freelancing বেশিরভাগ কাজগুলি অনলাইনে হয়ে থাকে।

এজন্য আপনার নিন্মে উল্লিখিত জিনিসগুলো সর্বদা প্রয়োজন হবে:

  • Computer OR leptop /  একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ
  • Internet connection ( ইন্টারনেট সংযোগ )
  • Smartphone ( স্মার্টফোন )
  • Email account ( একটি ইমেল অ্যাকাউন্ট )
  • Bank Account ( ব্যাংক হিসাব )

ফ্রিল্যান্সিং কাজে ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহন করতে অনলাইন পেমেন্ট পদ্ধতি থেকে যে কোন একটি অন লাইন পেমেন্ট পদ্দতি ব্যাবহার করতে হবে। যেমন পেপ্যাল ​​অ্যাকাউন্ট, পেওনিয়ার ইত্যাদি।

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো 2023:

Freelancing: ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গাইডলাইন পোস্টে আমরা আপনাদের ফ্রিল্যান্সিং করতে কি কি প্রয়োজন এবং ফ্রিল্যান্সিং হতে হলে আপনাকে বাংলাদেশে কি ধরনের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে হবে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছি।

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো 2023

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ফ্রীলান্সিং করে টাকা আয় করছেন অনেকেই। ফ্রিল্যান্সিং খুবই জনপ্রিয় একটি পেশা হয়েছে সমগ্র বিশ্বে। তবে সেই সাথে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে প্রচুর কম্পিটিশন রয়েছে এখন। তাই আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার পূর্বে অবশ্যই সঠিক বিষয়টি নির্বাচন করতে হবে।

কেননা ইন্টারনেট পুরো বিশ্ব মানুষের হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে। চাইলে শুরুতে আপনি আপনার হাতের মোবাইলটি ব্যবহার করে ইউটিউব থেকে বিভিন্ন ভিডিও দেখে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন। বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক ফ্রিল্যান্সার রয়েছে আপনাদের আশেপাশে। আপনারা চাইলে তাদের কাছে শরণাপন্ন হয়ে তাদের কিছু কাজ ফ্রিতে করে দিয়ে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন। Freelancing in bangladesh নামে ফেসবুক গ্রুপ রয়েছে ফেসবুকে। আপনি চাইলে তাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন কর, তাদের কথোপকথন এবং তাদের লেখা বিভিন্ন পোস্ট থেকে বুঝতে পারেন।

তারা কি ধরনের কাজের কথা বলছে এবং বর্তমানে মার্কেট প্লেসে কি ধরণের কাজের চাহিদা রয়েছে। আপনি কি ধরনের কাজ করবেন এবং ফ্রিল্যান্সার হতে আপনার কি করনীয় সকল বিষয়ে আপনি সঠিক ধারণা পেতে হলে অবশ্যই ফ্রিল্যান্সিং করা  লোকদের সঙ্গে আপনার যোগাযোগ থাকা দরকার। 

আরও পড়ুনঃ  ফেসবুক থেকে টাকা ইনকামের উপায় | Facebook Income In Bangladesh

Freelance Meaning in Bengali

বন্ধুরা, বাংলাদেশে অনেকেই আছেন যারা ফ্রিল্যান্সিং এর অর্থ বুঝে অল্প সময়ে ইন্টারনেট থেকে অনেক টাকা আয় করাকে। হ্যাঁ এটা সম্ভব কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে আপনার অনেক ভালো চাকরি আছে, সেসব কাজ সম্পর্কে আপনাকে আগে জানতে হবে।

আমি আপনাকে বলব যে আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর শুরুতে ছোট ছোট কাজ দিয়ে শুরু করুন। ছোট ছোট কাজে ভালো দক্ষতা দেখালে বড় কাজ করা যায়। বাংলাদেশে অনেক ফ্রিল্যান্সার আছে যাদের মাসিক আয় ১ লাখ টাকার বেশি। তাই আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চান তাহলে টাকার দিকে না তাকিয়ে আগে কাজ শিখুন।

আপনি পরিশ্রম শিখে একবার ফ্রিল্যান্সিং করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারেন। ধন্যবাদ, আশা করি বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং এর অর্থ পরিষ্কার হয়েছেন।

শেষ কথা,

ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে, খুব সহজেই বিভিন্ন ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব। ফলে যে কেউ ইন্টারনেটের সাহায্যে ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারে। দেশের তরুণরা ইতিমধ্যেই সঠিক দক্ষতা অর্জন করে ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে প্রচুর অর্থ উপার্জন করছে। তাই বলা যায় ফ্রিল্যান্সিং বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় খাত।

আমাদের লেখা এই আর্টিক্যালটি আপনাদের নিশ্চই উপকারে এসেচজে। এমন আর্টিক্যাল আমরা প্রায়ই দিয়ে থাকি। আর এগুলি সব অথেন্টিং লেখা, কারন আমরা নিজেরা ফ্রিল্যান্সিং করি এবং এর দক্ষতা আপনাদের সাথে ভাগ করে নেই। আমাদের এই লেখাগুলির আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যুক্ত থাকুন। নিচের লেখাগুলি সময় করে পড়ে নিন???

FAQs: ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গাইডলাইন

  1. ফ্রিল্যান্সিং কী?

    ফ্রিল্যান্সিং হলো কোনো প্রতিষ্ঠানের অধীনে স্থায়ী কাজ না করে নিজের মত স্বাধীনভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করা।

  2. ফিল্যান্সিং করতে কী কী প্রয়োজন?

    দক্ষতা, কাজে লাগানোর মত সময়, কম্পিউটার, ইন্টারনেট সংযোগ বা মডেম ইত্যাদি।

  3. ফ্রিল্যান্সিং করে কী পরিমাণ টাকা আয় করা যায় ?

    ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকামের ক্ষেত্রে কোনো বাধা-ধরা সীমা নেই। আপনি যতো বেশি কাজ করতে পারবেন, তত বেশি পরিমাণ আয় করতে পারবেন।

  4. মোবাইল দিয়ে কি ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব?

    বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং জগতে এমন কিছু কাজ রয়েছে যে কাজ গুলি মোবাইল দিয়ে করা যায়। তবে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে আপনার সফলতা অর্জন করতে অনেক কষ্ট হবে।

About the Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may also like these

Share via
Copy link